প্রসঙ্গ Learning and Earning Development Project (LEDP)

আইসিটি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮০.৪০ কোটি টাকা। উদ্দেশ্য সারাদেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে আইটি ফ্রীলান্সার তৈরি করা।
প্রকল্পটি শুরুর পূর্ব থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলো দেশের অনেক সুপ্রতিষ্ঠিত ফ্রীলান্সাররা কারণ ইহা যে বড় ধরনের একটি পুকুর চুরি প্রকল্প এবং কাজের কাজ যে কিচ্ছু হবে না তা তারা শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন। হাতেগুনা কয়েকজনের সফলতা দেখিয়ে পুরো প্রকল্পটাকে সফল দেখানোর চেষ্টা চলছে এখন।


প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণকালে প্রত্যেক প্রশিক্ষকের সম্মানি ধরা হয়েছে ৫০ হাজার প্লাস টাকা , কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ে প্রত্যেক প্রশিক্ষককেরা সম্মানি পেয়েছেন ২৫ হাজার এর আশেপাশে। এতে ক্ষতিটা কাদের হলো, প্রশিক্ষকদের? না, ক্ষতিটা হয়েছে প্রশিক্ষণার্থীদের! ধরুন, সরকার আপনার চিকিৎসার জন্য ১০০০ টাকা ভিসিটের ডাক্তারদের নিয়োগ দিতে বললো, যারা এটির দায়িত্ব যারা আছে তারা ৫০০ টাকা ভিজিটের ডাক্তার দিয়েই কাজটা সেরে নিল, এখানে ক্ষতিটা কার? আমি বলছিনা ৫০০ টাকা ভিজিট যারা নিয়েছে এবং চিকিৎসা করেছে তারা খারাপ ডাক্তার, কিন্তু আপনি কি আপনার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হলেন না? একজন ৫০০ ও ১০০০ টাকা ভিজিটের ডাক্তারের অভিজ্ঞতা ও এক্সপার্টিস লেভেলের মধ্যে কতটুকু পার্থক্য হতে পারে সেটা আপনার জানারই কথা।
এবার বলছি তাদের শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকার নতুন পদ্ধতি নিয়ে, উদ্দেশ্য একই, প্রকল্পটাকে সফল দেখানো। কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে জানলাম, যারা প্রশিক্ষণটি নিয়ে তেমন সুবিধা করতে পারেনি তাদের প্রত্যেকের মার্কেটপ্লেস প্রোফাইলে সর্বোচ্ছ ২৫ ডলার করে পাঠানো হচ্ছে বিভিন্ন ফরেন নামের আইডি খুলে। কমেন্টে একটি স্ক্রীনশট আছে যেটা একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করা, যার মাধ্যমে এর কিছুটা ক্লু পাবেন। উনার লোকেশন সিঙ্গাপুরে, কমিউনিকেশন করছেন বাংলায় তাও আবার LEDP প্রকল্প নিয়ে।
আমরা সবকিছুতে সরকারকে দোষারোপ করি কিন্তু আসলেই কি সরকার আমাদের জন্য সঠিক পদক্ষেপ গুলা নেয়া না? নাকি যাদের হাতে মূল প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয় ঘাপলাটা হয় সেখানে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।